You are here

The Honorable Foreign Minister

Foreign Minister

অধ্যাপক এ-কে-আব্দুল মোমেন (আবুল কালাম আব্দুল মোমেন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বি-এ (অনার্স) এম-এ ও এল-এল-বি এবং হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম-পি-এ এবং নর্থ ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় (বস্টন) থেকে এম-বি-এ ও অর্থনীতিতে পি-এইচ-ডি ডিগ্রী অর্জন করেন।

জীবনী

জনাব মোমেন সিলেট গভঃ পাইলট হাই স্কুল থেকে এস-এস-সি এবং এম-সি কলেজ থেকে এইচ-এস-সি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বি-এ অনার্স ও এম-এ পাশ করেন এবং আইন শাস্ত্রে এল-এল-বি ডিগ্রী অর্জন করেন। মেধাবী হওয়ায় তিনি স্কুল জীবন থেকে শুরূ করে সারা জীবনই হরেক ধরনের স্কলারশীপ পেয়ে পড়াশোনা করেন৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র থাকাবস্তায় তিনি কমার্স ব্যাংকে জুনিওর অফিসার হিসাবে কাজ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ২৩শে মার্চ্চর পর কাজ ছেড়ে চলে যান এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর ১৯শে ডিসেম্বর তিনি নব-গঠিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকারের একাধিক মন্ত্রনালয়ে চাকরি করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাক সেনাবাহিনী তাকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করে এবং বাংলাদেশ দখলদার মুক্ত হলে পরে তিনি তৎকালীন আঞ্চলিক প্রসাশক দেওয়ান ফরিদ গাজীর নির্দ্দেশে প্রথমত চা শ্রমিকদের ভারত থেকে স্বদেশে নিয়ে আসার কাজে ব্যাস্ত থাকেন এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘের “আনরব” অফিসের সহায়তায় চট্টগ্রম বন্দর থেকে চাল-ডেউটিন ইত্যাদি অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যসামগ্রী রাশিয়ান বিমানযুগে উত্তরবঙ্গের যুদ্ধবিধস্ত এলাকায় নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত হন৷ তিনি সিলেটের আওয়ামীলীগ নেতা বঙ্গবন্ধু সরকারের প্রতিমন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর একান্ত সচিব থাকাবস্থায় প্রবাসীদের উদ্দ্যেগে "ওয়েজ আর্নার স্কীম" চালু করেন যা ছিল বঙ্গবন্ধু সরকারের অন্যতম সফল নীতি এবং এর মাধ্যমে প্রবাসীরা নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করে স্বদেশে আনতে পারতেন। এই নীতিমালার ফলে দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ যেমন বাড়ে মুদ্রাস্ফীতিও কমে। তার এই পলিসি নব্বই দশক পর্যন্ত চালু ছিল এবং এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার দ্রব্য সামগ্রী আমদানী করা হয়। বঙ্গবন্ধুর সরকারে দেশে বন্যা ও দূর্ভিক্ষ দেখা দিলে তিনি নারোর প্রেসিডেণ্ট ড. রবার্ট ডি হোমারের কাছ থেকে ৩ মিলিয়ন ডলার অনুদান সংগ্রহ করেন। উল্লেখ্য যে নারো সরকারের সাথে তখনো ডিপলোমেটিক সম্পর্ক প্রতিস্টিত হয়নি।

ড. মোমেনের সৌভাগ্য যে তিনি বংগবন্ধুর সরকার ও তারই কন্যা শেখ হাসিনা সরকারে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। ১৯৬৯ সালে বংগবন্ধু যখন প্রেসিডেণ্ট আইয়ূব খানের আহ্বানে রাওয়াপিণ্ডিতে রাউণ্ড টেবিল বেঠকে যোগদান করেন তখন ড. মোমেন ছিলেন বংগবন্ধুর সার্বক্ষনিক সহকারী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার সলিমুল্লাহ হলে থাকাবস্থায় ছাত্র মোমেন কেরম চেম্পিয়ান, টেনিস চেম্পিয়ান ও টেবিল টেনিস চেম্পিয়ানের পুরুষ্কার ছাড়াও বিভিন্ন খেলাধুলায় ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বহুবিধ পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি যখন এস-এম হলের বলিবল এবং বাসকেটবল কেপ্টেন ছিলেন তখন শেখ কামালকে এস-এম হল বলিবল ও বাস্কেটবলে সম্পৃক্ত করেন। এম-সি কলেজে থাকাবস্থায় তিনি "উষশী" নামে একটি উন্নত সাহিত্য ম্যাগ্যাজিন প্রকাশ করেন এবং তার এবং তার সহপাঠী সৈয়দ মোস্তফা কামালের উদ্যেগে কবি দিলওয়ারের ২য় বই ছাপাকলে প্রকাশিত হয়।

১৯৭৮ সালে "ফোর্ড ফাউন্ডেশন ফেলোশীপ" ও "হাভার্ড ম্যাসন ফেলোশিপ " নিয়ে তিনি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ট বিদ্যাপীঠ হাভার্ড ইউনিভার্সিটিতে অধ্যায়ন করতে যান এবং অর্থনীতি ও লোক প্রশাসনে এম-পি-এ ডিগ্রী অর্জন করেন। তাছাড়া নরওয়ের নোরাড স্কলারশীপ এবং এশিয়া ফাউনডেশনের ফেলোশীপও অর্জন করেন।

স্বদেশে বহুদেশীয় গনতন্ত্র পূনোরোদ্দারের জন্য আওয়াজ তুলায় বাংলাদেশের তৎকালীন সামরিক সরকার তাকে ”পি-ও-ওর্ডার-৯” এর বরাদ দিয়ে চাকরিচ্যূত করলে তিনি যুক্তরাস্ট্রে “কমিটি ফর ডিমোক্রেটিক বাংলাদেশ” প্রতিস্টা করেন। এই দূঃসময়ে বহু ধরনের কাজ করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে আইন সিদ্বভাব থাকার জন্য কাজের ফাকে ফাকে তিনি একাধিক ডিগ্রী অর্জন করেন। যেমন পি-এইচ-ডি (অর্থনীতি), এম-বি-এ (বিজনেস) ইত্যাদি ডিগ্রী অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেন। তিনি “বেস্ট শিক্ষক” হিসাবে ছাত্রছাত্রীদের আস্থা অর্জন করে পুরসকৃত হন। তিনি হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, এম-আই-টি, নর্থ-ইষ্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, সেলেম স্টেট ইউনিভার্সিটি, মেরিমেক কলেজ, কেমব্রীজ কলেজ, ম্যাসাচুচেস্ট ইউনিভার্সিটি (USMASS) এবং পরবর্তীতে ফ্রেমিংহাম স্টেট ইউনিভার্সিটিতে দীর্ঘ ২৩ বছর শিক্ষকতা করেন।

তিনি ওয়াশিংটনে ওয়াল্ড ব্যাংকেও (World Bank) অর্থনীতিবিদ হিসাবে কাজ করেন এবং ইউ-এন-ডি-পির কনসালটেণ্ট হিসাবেও কাজ করেন। ২০১৬ সালে তিনি ইউ-এন-ডি-পি ও ফাইনানস মন্ত্রনালায়ের জন্যে “সাউথ সাউথ কোপারেশন, ফাইনানসিং ফর এস-ডি-জি”—এর উপর একটি গবেষণাধর্মী রিপোর্ট প্রকাশ করেন। তার ২৫০টির অধিক প্রবন্ধ বিশ্বের বিভিন্ন জার্ণালে প্রকাশিত হয়। সম্প্রতিকালে তার দুটো বই; “বাংলাদেশের স্বাধীনতা: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” এবং “Bangladesh: Marching Forward” প্রকাশিত হয়েছে। আরো দুটি বই; “বঙ্গবন্ধুর একশোটি ভাষণ” এবং “বাংলাদেশের উন্নয়ন” মুদ্রণের পথে। ইতিপূর্বে তার বন্ধু সিলেটের সৈয়দ মোস্তাফা কামাল ও সৌদী আরবের ছড়াকার দেওয়ান আব্দুল বাসেত তার লিখা প্রবন্ধসমূহ সংগ্রহ করে চারটি পুস্তক—“প্রবাসে স্বদেশ চিন্তা”, “আমলাতন্ত্রের দীর্ঘসূত্রিতা”, “মক্কা-মদিনার পথে প্রান্তরে” এবং “Collection of Articles and Speeches of Dr. A. K. Abdul Momen” প্রকাশ করেন।   

তিনি প্রায় পাঁচ বছর রিয়াধে সৌদী আরব সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মণত্রনালেয় অধীনে সৌদী (ইণ্ডাসট্রিয়েল ডিভালাপমেণ্ট অথোরিটি) ইকোনোমিক এডভাইজার বা কনসালটেণ্ট হিসাবে কাজ করেন। সেই সময় তিনি সৌদী আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী শ্রমিকদের উপর অমানবিক ব্যবহার বন্ধের জন্যে আন্দোলন শুরু করলে কিছু সংখ্যক আদম ব্যবসাহী তার বিরোধীতা করলে বিরোধী দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা তাকে অভয় দেন এবং তার প্রচেস্টার ফলে শত শত শ্রমিকের উপর আত্যাচার বন্ধ হয় এবং এর ফলে কোম্পানীগুলো তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা বা মজুরী দিতে বাধ্য হয়। তাছাড়া ৫০ ডিগ্রী তাপমাত্রার অধিক তাপমাত্রা হলে শ্রমিকদের উনমুক্ত স্থানে কাজ করা বা বদ্ধ ভেনগাড়ীতে পরিবহন নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। আইন না মানলে ভূক্তভোগী শ্রমিকদের দেশ “ওয়াণ্ড ট্রেড অরগেনাইজেশনে” (WTO) ক্ষতি পূরণ দাবী করতে পারার নীতিও গৃহীত হয়।

বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত প্রতিস্টার জন্যে তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে বহুবিধ প্রচেস্টা চালান এবং ১৯৮৮ সালে তার উদ্যোগে যুক্তরাস্ট্র কংগ্রেসে বাংলাদেশের উপর এক “শোণানীর” আয়োজন করা হয় যা এরশাদ সরকারের অবস্থানকে দূর্বল করে। তখন তিনি যুক্তরাস্ট্র কংগ্রেস, সিনেট ও সরকারে “মিস্টার বাংলাদেশ” নামে পরিচিতি লাভ করেন। ম্যাসাচুচেস্ট অঙ্গরাজ্যের গভর্নর তাকে "Ambassador of Good will" উপাধিতে ভুষিত করেন। তবে বাংলাদেশের সামরিক সরকার তাকে চাকরিচ্যূত করেন এবং দেশে আসা নিষিদ্ধ করেন। এতদ সত্বেও তিনি দেশের প্রতি প্রবল মমত্ববোধের কারনে দেশের দূর্যোগে সব সময় অগ্রণীর ভূমিকা পালন করেন এবং তার প্রচেস্টায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও জনগণ বিভিন্ন দূর্যোগে বাংলাদেশকে অনেক অনেক টাকা প্রদান করে এবং বাংলাদেশের দেয়া ঋন মাপ করে দেয় । তিনি ১৯৮৮ সালে মার্কিন যুক্তরাস্টের ডিমোক্রেটিক প্রেসিডেণ্ট পদপ্রার্থী মাইকেল ডুকাকিসের উপদেস্টা হিসাবে সুনাম অর্জন করেন। তিনি বস্টনের “নিউ ইংল্যাণ্ড বাংলাদেশ সমিতির” সভাপতি ছিলেন এবং তিনি নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশ সম্মেলন বা ফোবানার একজন প্রতিস্টাতা সদস্য এবং ১৯৮৯ সালে এর ৩য় সম্মেলনের চেয়ারম্যান নির্ব্বাচিত হন।

পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যে মহিলা ও শিশু পাচার বন্ধ ও তাদের অমানবিকভাবে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার না করার জন্যে বিশেষ করে উটের দৌড়ে কচি শিশুদের ব্যবহার বন্ধের জন্যে তিনি বিশ্বব্যপী আন্দোলন শুরু করলে মার্কিন সরকারের চাপে তা বন্ধ হয় এবং তিনি অনেক মহিলা ও শিশুদের স্বদেশে ফিরিয়ে আনেন। নারী ও শিশু পাচার বন্ধে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা তাকে সহায়তা করেন। তাছাড়া যৌনদাস প্রথা এবং অপ্রাপ্ত বয়সের মেয়েদের যৌন বিকলাংগ এবং শিশু শ্রমিক বন্ধের জন্যে তিনি মার্কিন কংগ্রসে অনেকগুলো শোনানীতে (১৯৯১-১৯৯৬) জোরালো বক্তব্য প্রদান করলে প্রেসিডেণ্ট বিল ক্লিনটন তাকে সাক্ষাত দেন এবং দুটো আইনে সই করেন। ড. মোমেনের প্রচেস্টায় বাংলাদেশে গারমেণ্ট শিল্পে শিশু শ্রমিকের ‘মানবীয়’ সুরাহা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা তাকে এজন্যে বহুবিধ সম্মানে ভূষিত করে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা সরকারে এলে তার অনুরোধে প্রধানমন্ত্রী সার্ক দশম শীর্ষ সম্মিলনে নারী ও শিশু পাচার বন্ধে তার দুটো প্রস্তাব পেশ করলে তা সর্ব সম্মতিতে গৃহীত হয়।

১৯৮৭ সালে বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকা সফর করলে তার উদ্যোগে যুক্তরাস্ট্রে “বংগবন্ধু পরিষদ” গঠিত হলে তাকে এবং ড. এনায়েত রহিমকে যুগ্ন আহ্বায়ক নির্ববচিত করা হয় এবং ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনে জয়লাভ করলে ড. মোমেন তাকে বস্টন ইউনিভারসিটির পক্ষ থেকে “ডক্টরেট” ডিগ্রী প্রদানের ব্যবস্থা করেন। এটাই জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রথম ডক্টরেট সম্মানণা ডিগ্রী।

১৯৯৮ সালে তিনি হজ্বব্রত পালন করেন। পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশের প্রধান প্রধান দেশ ও রাজধানী ও শহরগুলো দেখার সৌভাগ্য তার হয়েছে।

২০০১ সালে সিলেটের কৃতী সন্তান স্পীকার হুমায়ূন রশীদ চৌধরী ইন্তেকাল করলে জননেত্রী শেখ হাসিনা মোমেন সাহেবকে ফোন করলে তিনি তার বড়ভাই আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে সিলেটের এক আসনে মনোনয়ন দিতে অনুরোধ করেন এজন্যে যে তিনি কাজের মানুষ, তার মেধা অতুলনীয়, দেশ উন্নয়নের জন্যে তার ভাবনা ও পরিকল্পনা সুদূর প্রসারী, তিনি একজন সৎ ও উত্তম ব্যক্তিত্ব। ২০০১ সালে তিনি মুহিত সাহেবকে নিয়ে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হলে মোমেন সাহেব তা তিন পর্বে প্রবন্ধ আকারে পত্রিকায় প্রকাশ করেন। পরবর্তিতে জনাব মুহিত সাহেব আরো অনেকের প্রবন্ধ নিয়ে আওয়ামী লীগের সি-আর-আই (CRI) এর পক্ষ থেকে “কারচুপির নির্বাচন-২০০১” গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।

২০০১-০৬ সালের বি-এন-পি-জামাত সরকারের নির্যাতন, লোটপাঠ, সণ্ত্রাস, ধর্ষণ, ক্রস-ফায়ার, জমি দখল-বাড়ী দখল, হল দখল, বাস স্টেশন ও অফিস দখল এবং মিথ্যাচার শুরু হলে এবং পরবর্তিতে ফকরুদ্দীন-মইন উদ্দিন সরকারে গণতন্ত্র বিঘ্নিত হতে থাকলে তার লেখনীও জোরদার হয়। ২০০৩ সালে তার বস্তনিষ্ট লেখনী ও প্রচেস্টার ফলে খালেদা জিয়ায় পছন্দের মনোনীত “ও-আই-সি সেক্টেটারী জেনারেল” পদপ্রার্থী যুদ্ধ-অপরাধী সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরোদ্ধে তার প্রচেস্টা সফল হলে জননেত্রী তাকে অভিনন্দন জানান।  

অধ্যাপক মোমেন যখন ফ্রেমিংহাম স্টেট ইউনিভার্সিটিতে “ইকোনমিকস ও বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের চেয়ারপার্সন” ছিলেন তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে প্রথমতঃ সৌদী আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ দিতে সিদ্ধান্ত নেন এবং পরর্বতিতে তাকে জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসাবে ২০০৯ সালে নিয়োজিত করেন। তিনি দীর্ঘ ছয় বছরের অধিক সময় অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে মাননীয় প্রধানমন্থীর নির্দেশে ২০১৫ সালের ২৭শে নভেম্বরে সিলেটে ফিরে আসলে সিলেটবাসী তাকে সাদরে গ্রহণ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিউ ইর্য়কের ঈদ উৎসবে উন্মুক্ত সভায় ঘোষণা দেন যে ‘আমি মোমেন সাহেবকে গুরু দায়িত্ব দেয়ার জন্যে দেশে নিয়ে যাচ্ছি”৷

মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে ২০০৯ সালে গুরু দায়িত্ব দিয়ে জাতিসংযে নিয়োজিত করলে স্বীয় মেধা, কর্মদক্ষতা, কুটনৈতিক  বিচক্ষণতা, প্রঞ্জা ও মানবিক গুণাবলী দিয়ে স্বীয় পদকে তিনি অলংকৃত করার পাশাপাশি বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি উজ্বল করেছেন। তিনি যেখানেই হাত দিয়েছেন সেখানেই সাফল্য অর্জন করেছেন ।

দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ বাংলাদেশের জন্যে অনেকগুলো দূর্লভ এ্যাওয়ার্ড বা সন্মান নিয়ে আসেন। তাঁর কূটনৈতিক দক্ষতা, অক্লান্ত পরিশ্রম, সবার সাথে বন্ধুত্ব এবং ধীশক্তির জন্য বাংলাদেশ সরকার গোটা বিশ্বাসীর কাছে আস্থা অর্জনে সমর্থ হয়।

The Honorable Foreign Minister